Response to letter from Dawat-o-Irshad-usa

Home/Ahmadiyyat/Response to letter from Dawat-o-Irshad-usa

Published November 5, 2018

Click here for the full response in PDF format.

To: Idara Dawat-O-Irshad, USA, Inc.

P.O. Box 22885
Alexandria, VA 22304

ইদারা দাওয়াত ও ইরশাদ, ইউ.এস.এ

আমরা আহ্‌মদীয়া মুসলিম জামাতের নেতাকে উদ্দেশ্য করে লেখা আপনাদের ৩রা নভেম্বরের “খোলা চিঠি” পেয়েছি যা আপনাদের সংগঠনের ওয়েবসাইটেও প্রকাশিত হয়েছে। এর উত্তরে আমাদের এই পত্র লেখা হচ্ছে যার উদ্দেশ্য হচ্ছে, আপনাদের পত্রের অগণিত তথ্যগত ভ্রান্তি, ভূল বিবৃতি এবং মিথ্যার অপনোদন।

আপনাদের চিঠি আহ্‌মদীয়া মুসলিম জামাতের মৌলিক বিশ্বাস এর ব্যবহারিক আচরণ এবং এই জামাতের প্রতিষ্ঠাতা হযরত মির্যা গোলাম আহ্‌মদ (আ.) যা বিশ্বাস করতেন তার সম্পূর্ণ পরিপন্থী। এটি জানার ও বুঝার জন্য সর্বোত্তম উৎস হল, জামাতের পবিত্র প্রতিষ্ঠাতার নিজের রচনাবলী পাঠ করা, যার কথা আপনারা কোথাও উল্লেখ করতে ব্যর্থ হয়েছেন।

হযরত আকদাস মসীহ্ মওউদ (আ.) বলেন,

“আমাদের ধর্ম বিশ্বাসের সারাংশ ও সারমর্ম হল, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ্। এ পার্থিব জীবনে আমরা যা বিশ্বাস করি এবং আল্লাহ্ তা’লার কৃপায় ও তাঁরই প্রদত্ত তৌফিকে যা নিয়ে আমরা এ নশ্বর পৃথিবী ত্যাগ করব তা হল, আমাদের সম্মানিত নেতা হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা (সা.) হলেন ‘খাতামান্ নবীঈন’ ও ‘খায়রুল মুরসালীন’ যাঁর মাধ্যমে ধর্ম পূর্ণতাপ্রাপ্ত হয়েছে এবং যে নিয়ামত দ্বারা সত্যপথ অবলম্বন করে মানুষ আল্লাহ্ তা’লা পর্যন্ত পৌঁছুতে পারে তা পরিপূর্ণতা লাভ করেছে। আমরা দৃঢ় প্রত্যয়ের সাথে বিশ্বাস রাখি, কুরআন শরীফ শেষ ঐশী-গ্রš’ এবং এর শিক্ষা, বিধান, আদেশ ও নিষেধের মাঝে এক বিন্দুু বা কণা পরিমাণ সংযোজনও হতে পারে না আর বিয়োজনও হতে পারে না। এখন আল্লাহ্র পক্ষ থেকে এমন কোন ওহী বা ইলহাম হতে পারে না যা কুরআন শরীফের আদেশাবলীকে সংশোধন বা রহিত কিংবা কোন একটি আদেশকেও পরিবর্তন করতে পারে। কেউ যদি এমন মনে করে তবে আমাদের মতে সে ব্যক্তি বিশ্বাসীদের জামা’ত বহির্ভূত, ধর্মত্যাগী ও কাফির। (ইযালায়ে আওহাম, রূহানী খাযায়েন, ৩য় খ-, পৃ: ১৭০)

তিনি (আ.) অন্যত্র লিখেছেন,

“আমরা ঈমান রাখি, খোদা তা’লা ছাড়া কোন মা’বুদ নেই এবং সৈয়্যদনা হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম আল্লাহ্র রসূল এবং খাতামুল আম্বিয়া। আমরা ঈমান রাখি, ফিরিশ্তা, হাশর, জান্নাত এবং জাহান্নাম সত্য এবং আমরা আরও ঈমান রাখি, কুরআন শরীফে আল্লাহ্ তা’লা যা বলেছেন এবং আমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম থেকে যা বর্ণিত হয়েছে উল্লিখিত বর্ণনা অনুসারে তা সবই সত্য। আমরা এ-ও ঈমান রাখি, যে ব্যক্তি এই ইসলামী শরীয়ত হতে বিন্দুমাত্র বিচ্যুত হয় অথবা যে বিষয়গুলো অবশ্যকরণীয় বলে নির্ধারিত তা পরিত্যাগ করে এবং অবৈধ বস্তুকে বৈধ করণের ভিত্তিস্থাপন করে, সে ব্যক্তি বে-ঈমান এবং ইসলাম বিরোধী। আমি আমার জামা’তকে উপদেশ দিচ্ছি, তারা যেন বিশুদ্ধ অন্তরে পবিত্র কলেমা লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ্-এর প্রতি ঈমান রাখে এবং এ ঈমান নিয়ে মৃত্যুবরণ করে। কুরআন শরীফ থেকে যাদের সত্যতা প্রমাণিত, এমন সব নবী (আলাইহিমুস সালাম) এবং কিতাবের প্রতি ঈমান আনবে। নামায, রোযা, হজ্জ ও যাকাত এবং এছাড়া খোদা তা’লা এবং তাঁর রসূল কর্তৃক নির্ধারিত কর্তব্যসমূহকে প্রকৃতপক্ষে অবশ্য-করণীয় মনে করে, যাবতীয় নিষিদ্ধ বিষয়সমূহকে নিষিদ্ধ মনে করে সঠিকভাবে ইসলাম ধর্ম পালন করবে। মোটকথা, যে সমস্ত বিষয়ে আক্বিদা ও আমল হিসেবে পূর্ববর্তী বুযূর্গানের ‘ইজমা’ অর্থাৎ সর্ববাদি-সম্মত মত ছিল এবং যে সমস্ত বিষয়কে আহলে সুন্নত ওয়াল জামাতের সর্ববাদি-সম্মত মতে ইসলাম নাম দেয়া হয়েছে. তা সম্পূর্ণভাবে মান্য করা অবশ্য-কর্তব্য। যে ব্যক্তি উপরোক্ত ধর্মমতের বিরুদ্ধে কোন দোষ আমাদের প্রতি আরোপ করে, সে তাক্বওয়া বা খোদা-ভীতি এবং সততা বিসর্জন দিয়ে আমাদের বিরূদ্ধে মিথ্যা অপবাদ রটনা করে। কিয়ামতের দিন তার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকবে, আমাদের এ অঙ্গীকার সত্ত্বেও অন্তরে আমরা এ সবের বিরোধী ছিলাম? আমরা ভূম-ল ও নভোম-লকে সাক্ষী রেখে বলছি যে, এটিই আমাদের ধর্মবিশ্বাস।” (আইয়ামুস সুলেহ, ১ম সংস্করণ, রূহানী খাযায়েন ১৪তম খ-, পৃ: ৩২৩)

 

অতএব মির্যা গোলাম আহ্‌মদ (আ.) পরিষ্কার করে উল্লেখ করেছেন যে, তাঁর অনুসারীরা ইসলামের সকল  স্তম্ভ ও নীতিতে অকাট্য বিশ্বাস রাখে। আপনাদের সমস্ত আপত্তি খন্ডনের জন্য  শুধুমাত্র তাঁর লেখা-ই যথেষ্ট। তারপরও যাতে কোন সন্দেহের অবকাশ না থাকে, আমরা এখানে আপনাদের প্রতিটি বক্তব্য এক এক করে খন্ডন করছি।

প্রথমত, মির্যা গোলাম আহ্মদ (আ.) নতুন কোন শিক্ষা বা শরীয়তধারী নবুয়্যতের দাবী করেন নি তিনি (আ.) একজন উম্মতী নবীর দাবীদার, যা তাঁর পদবী ইমাম মাহ্‌দী এবং মসীহ্‌ থেকে বুঝা যায়, যার ভবিষ্যদ্বাণী পবিত্র কুরআন এবং খাতামান্নাবীঈন হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর হাদীসে রয়েছে। তিনি (আ.) কোথাও রসূলে পাক (সা.)-এর দেহধারণ বা প্রতিমূর্তি হওয়ার দাবী করেন নি, তিনি এসেছেন হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ভবিষ্যদ্বাণীর পূর্ণতায় প্রতিশ্রত সংস্কারক এবং মসীহ্‌ হিসেবে,  সকল ধর্মানুসারীরা যার আগমনের অপেক্ষায় আছেন। আহ্‌মদীয়াত কোন নতুন ধর্ম নয়, বরং ইসলামের প্রকৃত এবং গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষার পুনর্জাগরণ, যেমনটি হযরত মুহাম্মদ (সা.) শিখিয়েছিলেন এবং স্বয়ং পালন করে গেছেন। মির্যা গোলাম আহ্‌মদ (আ.) কেবলমাত্র হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর উম্মতি ও আনুগত্যকারী নবী হওয়ার দাবী করেছেন।

দ্বিতীয়ত, আপনাদের দাবী আহ্‌মদী মুসলমানরা সাম্প্রদায়িক অসহিষ্ণু ধ্যানধারণা প্রচার করে। প্রকৃতপক্ষে ইসলামে ৭৩টি দল রয়েছে আর আহ্‌মদীয়া মুসলিম জামাত ইসলামের ছায়াতলে মুসলমানদেরই একটি দল। মির্যা গোলাম আহ্‌মদ (আ.)-এর রচনাবলীতে এর বারবার উল্লেখ পাওয়া যায় যে, আহ্‌মদী মুসলমানরা পবিত্র কুরআন ও হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর শিক্ষা এবং সুন্নাহ্‌র অনুসারী হিসেবে কারো প্রতি বিশ্বাসের কারণে কোনরূপ জোর-জবরদস্তি বা শত্রতা পোষণ করে না – তা সে মুসলমান বা অমুসলমানই হোক না কেন। জোর-জবরদস্তি সংক্রান্ত এই মনোভাব কুরআনের শিক্ষার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বরং এর বিপরীত। যেমন দেখুন, ধর্মের ব্যাপারে কোন বলপ্রয়োগ নেই (পবিত্র কুরআন ২:২৫৬) এবং তুমি কী অন্যদের জোর করবে বিশ্বাস আনয়নের জন্য?” (পবিত্র কুরআন ১০:১০)। আহ্‌মদী মুসলমানরা পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি সহিষ্ণু এবং উদার মুসলমান সম্প্রদায় হিসেবে সুপরিচিত। এছাড়া, তোমাদের যুক্তির বিপরীতে আহ্‌মদী মুসলমানরা একমাত্র সত্যিকারের মুসলমান এবং ইসলামের প্রতিনিধি হিসেবে নিজেদেরকে দাবী করে না আমরা এমন যে, কেউ যদি নিজেকে মুসলমান হিসেবে দাবী করে এবং কলেমা পড়ে তাহলে সে মুসলমান কি-না সে বিষয়ে কোন ফতোয়া প্রদান করি না এবং বিষয়টি আল্লাহ্‌ তা’লার ওপর ছেড়ে দেই। আমরা শুধু একথা বলি যে, ভবিষ্যদ্বাণী অনুযায়ী মির্যা গোলাম আহ্‌মদ (আ.) ইমাম মাহ্‌দী ও মসীহ্‌ মওউদ হিসেবে ইসলামের প্রকৃত শিক্ষাকে পুনর্জীবিত করতে এসেছেন। আমরা অন্যান্য মুসলমানের মতই ইসলামের প্রতিনিধিত্ব করি এবং একমাত্র বৈশ্বিক ইসলামী সম্প্রদায় যাদের এক ঐশী কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব রয়েছে আর এটি আহ্‌মদীয়া মুসলিম জামাতের এক অনন্য বৈশিষ্ট্য।

তৃতীয়ত, তোমাদের চিঠিতে হযরত ঈসা (আ.) সম্পর্কে আমাদের বিশ্বাসের ভূল চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। মির্যা গোলাম আহ্‌মদ কখনই হযরত ঈসা (আ.) এবং তাঁর শ্রদ্ধেয়া মা হযরত মরিয়মের প্রতি কোন প্রকার অবমাননাকর বা নোংরা মন্তব্য করেন নি। বরং এর বিপরীতে, মির্যা গোলাম আহ্‌মদ হযরত ঈসা (আ.)- এর সম্মান ও পবিত্রতার সংরক্ষণ করেছেন, বিশ্বের কাছে এটি ব্যাখ্যা করে যে, হযরত ঈসা (আ.) শূলী থেকে উদ্ধার পেয়ে ইস্রাঈলের হারানো মেষের” সন্ধান পেয়েছিলেন, যার জন্য আল্লাহ্‌ তা’লা তাঁকে পাঠিয়েছিলেন। প্রকৃতপক্ষে, হযরত ঈসা (আ.)-এর মিশনকে “ছোট করা” তো দূরে থাক, মির্যা গোলাম আহ্‌মদ তাঁর মিশনের প্রভূত প্রশংসা করেছেন যে, কি করে তা অলৌকিকভাবে পূর্ণতা লাভ করেছে। সর্বোপরি, মুসলমানদের বিরুদ্ধে “খ্রীষ্টীয় ধর্মপ্রচারকদের” ছড়ানো দুরভিসন্ধির সাথে  মির্যা গোলাম আহ্‌মদ (আ.)-এর বিশ্বাসের ন্যূনতম কোন যোগসূত্রও নেই।

 

চতুর্থত, আপনাদের একথা একেবারেই ভ্রান্ত যে, হযরত  মির্যা গোলাম আহমদ ব্যক্তিস্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতার বিরোধী ছিলেন। তিনি (আ.) তরবারীর মাধ্যমে বিশৃংখল এবং রক্তক্ষয়ী জিহাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন এবং মুসলমানদের নিকট আকুতি জানিয়েছিলেন যে, আপনাদেরকে বৃটিশ সরকার যে পূর্ণ ধর্মীয় স্বাধীনতা ও অধিকার প্রদান করেছে এর প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে নিজেদের বিশ্বাসের ওপর প্রতিষ্ঠিত হোন। তিনি সমাজ এবং সরকারের সাথে সহযোগিতামূলকভাবে কাজ করে স্বাধীন ধর্মাচারের শিক্ষা দিয়েছেন, বিশৃংখলার নয়।

পঞ্চমত, আপনারা অন্যায়ভাবে  উল্লেখ করেছেন যে, মির্যা গোলাম আহমদ তার অযৌক্তিক দাবীর অনুসারী আর্থিকভাবে ত্যাগস্বীকারকারীদের গণ্ডিবহির্ভূত সকল মানবজাতিকে জাহান্নামী আখ্যা দিয়েছেন” হযরত মির্যা সাহেব কোথাও এমন কোন কথা বলেন নি।  তিনি (আ.) তাঁর দাবী বিশ্বের দরবারে শান্তিপূর্ণ ও সম্মানজনকভাবে উপস্থাপন করেন তাঁর রচনাসমগ্র এবং সংলাপের মাধ্যমে, তিনি ৮৫টিরও অধিক বই লিখে প্রকাশ করেছেন। অপরদিকে, এই অপবাদ আরোপ করা যে, আহ্‌মদীয়া মুসলিম জামাত প্রকৃতপক্ষে একটি পারিবারিক ব্যবসা, এটি পবিত্র কুরআনে বর্ণিত সবচেয়ে মৌলিক ঐশী নীতি দ্বারা মিথ্যা সাব্যস্ত হয়, অর্থাৎ “আর সে যদি কোন মামুলী কথাকেও মিথ্যা বানিয়ে আমাদের প্রতি আরোপ করতো, তাহলে নিশ্চয় আমরা তাকে ডান হাতে ধরতাম এবং অবশ্যই আমরা তার জীবনশিরা কেটে দিতাম। তখন তোমাদের কেউই (আমাদের শাস্তি থেকে) তাকে রক্ষা করতে পারতো না (পবিত্র কুরআন ৬৯:৪৫-৪৮) আমাদের জামাতের সদস্যরা স্বেচ্ছায় তাদের সময়, সম্পদ বরং সকল প্রকার সহায়-সম্বল ইসলামের সেবায় কুরবানী করে থাকে।

পরিশেষে, আপনারা  মির্যা মসরূর আহ্‌মদ (আই.)-কে অসম্মানজনকভাবে  “আহ্মদীয়া মিশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (CEO)বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি কোন কর্পোরেট CEO নন, তিনি ঐশীভাবে নির্বাচিত আহ্‌মদীয়া মুসলিম জামাতের খলীফা এবং কয়েক কোটি আহ্‌মদী মুসলমানের আন্তর্জাতিক আধ্যাত্মিক নেতা। উম্মুক্ত সংলাপের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, নিখিলবিশ্ব আহ্‌মদীয়া মুসলিম জামাত এবং এর আধ্যাত্মিক নেতার বিরূদ্ধে কোন মানহানিকর কথা না বলা বরং শ্রদ্ধার সাথে সেসব পদবীর উল্লেখ করা উচিত যেগুলো জামাতের সদস্যরা তাদের প্রিয় নেতার জন্য ব্যবহার করেন।

মোটকথা, আপনাদের পত্রের উদ্দেশ্য হল, আহ্‌মদীয়া মুসলিম জামাত এবং এর প্রতিষ্ঠাতা হযরত মির্যা গোলাম আহমদ (আ.)-এর ধর্মবিশ্বাসকে মিথ্যা সাব্যস্ত করা এবং আমেরিকান একটি শান্তিপূর্ণ মুসলমান জামাতের বিরূদ্ধে কুৎসামূলক ও নোংরা আক্রমণ করা। আপনারা একটি জামাতের সাথে শুধুমাত্র ধর্মীয় মতপার্থক্যের কারণে বিতণ্ডা ও বিবাদের বীজ বপন করতে চান।

আমরা সকল সত্যান্বেষীকে www.alislam.org পরিদর্শনের এবং ১২৯ বছরের পুরনো আহ্‌মদীয়া মুসলিম জামাতের ধর্মবিশ্বাস, রীতি ও কাজ সম্পর্কে গবেষণার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। হযরত মির্যা মসরূর আহ্‌মদ (আই.) এবং তাঁর বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা ও মানবসেবামূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাইলে পরিদর্শন করুনঃ https://www.khalifaofislam.com/.

 

বিনীত,

আমজাদ মাহমুদ খান, ন্যাশনাল সেক্রেটারী উমুরে খারেজা

ডা. ওয়াসীম সাঈদ, ন্যাশনাল সেক্রেটারী তবলীগ।

আহ্‌মদীয়া মুসলিম জামাত, আমেরিকা।

 

 

Dear Members of Idara Dawat-o-Irshad USA:

We are in receipt of your “Open Letter” of November 3, 2018 addressed to the leader of the Ahmadiyya Muslim Community, which also has been posted on your organization’s website.  This letter’s purpose is to address the numerous factual inaccuracies, misstatements and misrepresentations contained in your letter.

Your letter betrays a fundamental understanding of the Ahmadiyya Muslim Community’s beliefs and practices and what its founder, Mirza Ghulam Ahmad, peace be upon him, believed.  Of course, the best source for this understanding is reading the words of the founder himself, which you fail to mention anywhere.  He writes:

“The gist of our faith is: La Ilaha Il-lallah Muhammadur Rasulullah. (There is no god but Allah, Muhammad is the Messenger of Allah). Our belief, which we hold in this life here on earth and to which we will continue to adhere firmly till the time that we pass on to the next world, is that our spiritual leader and master, Muhammad, peace and blessings of Allah be on him, is the Seal of the Prophets and the Best of the Messengers. At his hands religion has been perfected and the blessing of Allah has been consummated which lead man to the right path and further on to God Himself. We hold this positive belief with absolute certainty that the Holy Qur’an is the seal of all divine books and not an iota can be added to or subtracted from its prescribed teachings, inhibitions, commands and injunctions. There will be no revelation or word from God which may amend or abrogate or change or alter any of the injunctions of the Holy Qur’an. If anyone subscribes to such views, in our opinion, he ceases to belong to the body of believers and becomes an infidel thereby.” (Izala e Auham: Roohani Khaza’in Vol. 3, p. 170).

In another instance, he writes:

“We do believe that there is none worthy of worship except God Almighty and Sayyedna Hadhrat Muhammad, the Chosen One, may peace and blessings of Allah be upon him, is His Messenger and the Khatamul [Nabiyeen]. We believe that angels are a reality, that Resurrection is a reality and the Day of Judgement is a reality; that Heaven is a reality and so is Hell.  We do believe that whatever the Glorious and Majestic God has stated in the Holy Quran and whatever our Prophet, may peace and blessings of Allah be upon him, has stated is all, according to the aforementioned statement, the truth. We do believe that the person who subtracts an iota from the Islamic law or adds to it as much, or lays the foundation in any manner for rejection of Islamic injunctions, or attempts to declare unlawful what has been made lawful in Islam, is an infidel and a renegade to Islam. We admonish our Jama’at that they must adhere tenaciously to the fundamental article of Islamic faith: La Ilaha Illallah Muhammadur Rasulullah. ‘There is no God but Allah, Muhammad is His Messenger,’ as long as they live and that they should die holding fast to the same belief. Also they must have firm faith in all the Messengers of Allah and revealed Books which have been authenticated by the Holy Quran. They should abide strictly by the Quranic injunctions. They should strictly observe prayers and fast, pay Zakat and perform the Hajj (pilgrimage). They should observe Islam by fully complying with all the injunctions, obligations and prohibitions pronounced by God and His Messenger. In short, all such matters, be they beliefs or deeds, on which there was consensus of opinion among our righteous predecessors and as are understood to be Islam by the general consensus of opinion of those who follow the traditions of the Holy Prophet of Islam, may peace and blessings of Allah be upon him, should be complied with as being obligatory. We call to witness the Heaven and the Earth, that this is indeed exactly our Faith.” (Ayyamus Sulh, 1st Edition: Roohani Khaza’in Vol. 14, p 323).

Thus, Mirza Ghulam Ahmad clearly explains that his followers unmistakably believe in all of Islam’s core articles and principles.  His words alone serve to rebut the entire substance of your allegations.  So there remains no doubt, however, we address each of your points in turn:

First, Mirza Ghulam Ahmad never claimed to be a prophet who brought any new law or teachings.  He claimed to be a subordinate prophet (nabi-ul-ummati),  which is implied by his title Imam Mahdi and Messiah as foretold in the Holy Quran and Hadith,[1] of Prophet Muhammad (peace and blessings of Allah be upon him), who was the seal of the all prophets (Khataman Nabiyeen).  He nowhere claimed to be a “reincarnation” of Prophet Muhammad – he came in fulfillment of the prophecies of the Prophet Muhammad (peace and blessings of Allah be upon him) regarding the advent of the promised reformer and messiah that all faith communities await.  Ahmadiyyat is a not a new religion, but a revival of Islam’s true and essential teachings as Prophet Muhammad (peace and blessings of Allah be upon him) taught and practiced; Mirza Ghulam Ahmad was a prophet only in the sense of being subservient to Prophet Muhammad.

Second, you claim Ahmadi Muslims, “promote sectarian and intolerant ideas.”  In fact, Islam has at least 73 sects within it, and the Ahmadiyya Muslim Community is a sect of Muslims within the fold of Islam.  The writings of Mirza Ghulam Ahmad are replete with references that Ahmadi Muslims, as followers of the Holy Qur’an and the teachings and practices of Prophet Muhammad (peace and blessings of Allah be upon him), practice no coercion or hostility to anyone – whether Muslim or non-Muslims – in matters of faith.  This attitude towards coercion is in harmony with (not in violation of) the Qur’an – see, e.g., “There is no compulsion in religion” (The Holy Qur’an 2:256) and “Will you then force others to believe?” (The Holy Qur’an 10:10).  Ahmadi Muslims are known to be among the most tolerant and inclusive Muslim communities in the world.  Moreover, contrary to your contention, Ahmadi Muslims do not, “profess to be the only real Muslims and representatives of Islam.”  We pass no judgment on whether one who professes to be a Muslim and recites the Shahada is a Muslim and leave that matter entirely to Allah – we simply assert that Mirza Ghulam Ahmad came to revive Islam’s true and essential teachings as the Mahdi (reformer) and Masih (messiah) prophesized to come.  We represent Islam alongside everyone else and hold the unique vantage to be the only global Islamic community with a central leader and a unified voice.

Third, your letter wrongly asserts our beliefs about the Prophet Jesus (Hazrat Isa) (peace be upon him).  Mirza Ghulam Ahmad never rendered any demeaning or vulgar remarks against Prophet Jesus (peace be upon him) or his revered mother, Mary (Maryam).  Quite the contrary, Mirza Ghulam Ahmad preserved the honor and integrity of Prophet Jesus (peace be upon him) by explaining to the world that the Prophet Jesus (peace be upon him) survived the crucifixion and found the, “lost sheep of the House of Israelites” for which Allah sent him.  Indeed, far from “belittling” Jesus (peace be upon him)’s mission, Mirza Ghulam Ahmad extolled that mission by explaining how it was miraculously fulfilled.  Finally, whatever so-called “retribution” made by “Christian evangelicals” against Muslims has nothing whatsoever to do with the beliefs of Mirza Ghulam Ahmad.

Fourth, you wrongly contend that Mirza Ghulam Ahmad, “prohibited . . . freedom, independence and self-determination.”  Mirza Ghulam Ahmad spoke against a violent and bloody jihad by the sword and implored Muslims to practice their faith by enjoying full freedoms and rights conferred on them by the then British Government.  He spoke about independence of belief and practices while working within a just society and government, not by violently subverting it.

Fifth, you wrongly contend that Mirza Ghulam Ahmad, “proclaimed the entire mankind, except those who accept his irrational notions and agree to financially contribute to his organization, as disbelievers and hell-bound.”  Mirza Ghulam Ahmad said no such thing.  He shared his claims to the world, peacefully and with dignity, through the written word and dialogue, having written and self-published over 85 books.  Moreover, the allegation that the Ahmadiyya Muslim Community is, in effect, a family business enterprise is belied by the most fundamental of divine promises contained in the Holy Qur’an, namely that an impostor would never be permitted by Allah to succeed:  “And if he had forged and attributed any sayings to Us, We would surely have seized him by the right hand, And then surely We would have severed his life-artery, And not one of you could have held Us off from him.” [The Holy Qur’an 69:45-48].Our members voluntarily sacrifice time, wealth and all available resources to serve Islam.

Finally, you have pejoratively referred to Mirza Masroor Ahmad (may Allah be his Helper) as “CEO of the Ahmadiyya Mission.”  He is a not a corporate CEO; he is the spiritually elected caliph of the Ahmadiyya Muslim Community and international leader to tens of millions of Ahmadi Muslims.  In the spirit of open dialogue, it is vital to not level ad hominem attacks on the Ahmadiyya Muslim Community and its leadership and, instead, respectfully employ terms that the Community itself uses when referring to their own leadership.

In sum, at its core, your letter is an effort to falsify the beliefs of the Ahmadiyya Muslim Community and its founder, Mirza Ghulam Ahmad, and render defamatory and scurrilous invectives against a peaceful community of American Muslims.  You seek to sow the seeds of discord simply because you disagree with another Muslim sect.

We invite all seekers of truth to visit www.alislam.org and study the beliefs, practices and works of the 129-year-old Ahmadiyya Muslim Community.  To learn more about His Holiness, Mirza Masroor Ahmad (may Allah be his Helper), and the work he is doing to advance peace the world over and to serve humanity, please visit: https://www.khalifaofislam.com/.

Sincerely,

Amjad Mahmood Khan                                                                                             Dr. Waseem Sayed

National Secretary for External Affairs                                                             National Secretary for Tabligh

Ahmadiyya Muslim Community USA                                                               Ahmadiyya Muslim Community USA

[1] See e.g., Tatimmah Chashma-e-Ma‘rifat, Ruhani Khaza’in, Vol. 23, p. 380

By | 2018-11-11T21:29:53+00:00 November 5th, 2018|Ahmadiyyat|

About the Author: