রমজান মাস শুরু হতে যাচ্ছে আলহামদুলিল্লাহ, এতে আমরা সবাই আলোকিত হতে পারি  :

জিকর এলাহী র মাস :
১. রাসূল আল্লাহ (সা:) প্রায় প্রতিটা মুহূর্তে আল্লাহ তালা কে বসা  অথবা দাঁড়ানো অবস্থায় স্মরণ করতেন
২. হাদিস অনুযায়ী একজন মোমেন  এই মাসে  সবসময় জিকর এলাহীতে রত থাকা উচিত
৩. আল্লাহ তালা কে প্রশংসার করার পুরস্কার হচ্ছে যে,  যদি পাপ সাগর পরিমান ও থাকে আল্লাহ তালা ইনশাআল্লাহ তা ক্ষমা করে দিবেন
৪. অনেক পরিমানের দুয়া রত থাকুন: দরূদ , ইস্তিগফার , আয়াত এ কালিমা পড়তে থাকুন , এর সাথে সুবহানাল্লাহ , আল্লাহু আকবার এবং আলহামদুলিল্লাহ পড়ুন

দোয়া করার মাস :
১. তিন জন লোকের দোয়া কবুল করা হয় : পিতার, রোজাদার বেক্তির এবং মুসাফির এর
২. একজন ছাত্র রোজাদার অবস্থায় যখন তার বাড়ি ছেড়ে ইসলামের জ্ঞানের সন্ধানে যাই তখন ফেরেস্তা তার সন্নিধানে থাকে
৩. রমজান মাসে প্রতিদিনের দুয়া কবুল হয় শুধু মাত্র যারা অন্যমনস্ককের দোয়া কবুল হয় না
৪. ইফতারির শুরু করার সময়ে আল্লাহ তালার নাম নিয়ে দোয়া করার নির্দেশনা রয়েছে

সম্পর্ক প্রত্যর্পণ করা:
১. দিনে রোজা রাখা এবং রাতে ইবাদাতে মগ্ন থাকা
২. নিজের চর্চা করা এবং আধ্যাতিক পরিবর্তন আনা
৩. মিস্কিন দের খাওয়ানো শুধু আল্লাহ তালার প্রতি ভালোবাসা রেখে
৪. আত্মীয়স্বজন দের প্রতি সর্বাদিক ভালো সম্পর্ক রাখা
৫. অন্যের ভুল কে ক্ষমা করা
৬. অন্যদের কে ভালো কাজে অন্তর্ভুক্ত করা

সদকার মাস :
১. সদকা প্রদানে কখনো অর্থ কমে না
২. রমজান মাসে সদকা দেয়া সুন্নাহ
৩. রমজান মাসে সদকা দেয়া আরো বেশি বরকতপূর্ণ
৪. যে বেক্তি রোজাদের বেক্তিকে ইফতার প্রদান করে সেই একই পরিমান সওয়াব পায়
৫. সদকা বিচার দিবসে একজন বেক্তির ছায়া হিসেবে কাজ করবে
৬. আল্লাহ তালার পথে খরচ করার মূল অর্থ হচ্ছে আল্লাহ কে ঋণ দেয়া

রোজা এবং উমরাহ পালিত মাস :
১. রমজান মাসে উমরাহ করা খুবই বরকতপূর্ণ
২. রমজান মাসে উমরাহ করা মানে হচ্ছে রাসূল (সা:) এর সাথে হজ করা
৩. রমজান মাসে প্রত্যেক ভালো কাজকে একাধিক গুন করা হয় এর জন্য উৎসাহ এবং আগ্রহের সাথে পালন করো

কিয়ামের মাস :
১. রমজান মাসে পুরস্কারের জন্য কিয়াম আদায় করাতে গুনা এন্ড দুর্বলতা দূর হয়
২. রমজান মাসে তারাবীহ পড়া সুন্নাহ এবং জামাতে পরা খুবই বরকতপূর্ণ
৩. সেহরির সময়ে ইস্তিগফার পর